[bangla_day], [english_date], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]

১৫% মূসক বাতিলের দাবি ব্যবসায়ীদের

প্রকাশঃ May 14, 2016 | সম্পাদনাঃ 14th May 2016

ঢাকা: নতুন মূসক আইনের আওতায় দেশের ক্ষুদ্র শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও খুচরা দোকান পর্যায়ে বিক্রয় মূল্যের ওপর ১৫% মূসকের নামে আবগারী শুল্ক বাতিলের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ঢাকা দক্ষিণ ব্যবসায়ী ফোরাম।

আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে কনফারেন্স লাউঞ্জে ঢাকা দক্ষিণ ব্যবসায়ী ফোরামের উদ্যোগে ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্প, ব্যবসায়ী-বাণিজ্য মূসক ব্যবস্থা প্রর্বতন করার আকুল আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ ও হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি উপস্থাপন করেন সংগঠনের মহাসচিব আবু মোতালেব।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, নতুন মূসক আইনের আওতায় দেশের ক্ষুদ্র শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও খুচরা দোকান পর্যায়ে বিক্রয় মূল্যের ওপর ১৫% মূসকের নামে কার্যত আবগারী শুল্ক আরোপ করায় দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য পরিমণ্ডলে অস্থিরতা ও অচলাবস্থা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে দেশের নাগরিক ও ভোক্তা পর্যায়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াকে পুঁজি করে রাজনৈতিক ফয়দা হাসিলের সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রে ব্যবসায়ী মহল অত্যন্ত শংকিত বলেও জানান তিনি।

এসময় প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে আবু মোতালেব বলেন, আপনার রাষ্ট্রনায়োকচিত নেতৃত্ব, প্রজ্ঞা এবং সুদূরপ্রসারী চিন্তায় উন্নয়নের গতিধারায় আজ দেশের প্রবৃদ্ধির হার ৭% এর মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এই গতিধারা আরও বেগবান করে ভিশন- ২০২১ বাস্তবায়নে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্প বাণিজ্যে নিয়োজিত ব্যবসায়ী মহল একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। এই উন্নয়নের মহেন্দ্রক্ষণে বিভিন্ন অপরাধমূলক অপতৎপরতার মাধ্যমে শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে দেশের অগ্রযাত্রার গতিরোধ করার সুপরিকল্পিত চক্রান্তের আলামত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

১৫% মূসক দেওয়ার সামর্থ্য এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের নেই জানিয়ে তিনি বলেন, প্যাকেজ ভ্যাট ব্যবস্থার পরিবর্তে ১৫% হারে মূসক দেয়ার সামর্থ্য ক্ষুদ্র ও মাঝারী ব্যবসায়ীদের নেই। অর্থমন্ত্রীর বিজ্ঞ দিকনির্দেশনার সফল প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে যৌথ কমিটির সর্বসম্মত সাত দফা সুপারিশ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা জাতীয় স্বার্থে অপরিহার্য বলেও তিনি জানান।

সংবাদ সম্মেলন থেকে বলা হয়, প্যাকেট ভ্যাটের ক্ষেত্রে বার্ষিক ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট পরিমাণে বিধি ধারা নির্ধারিত অর্থ টার্নওভার কর হিসাবে পরিশোধের বিধান করা। উৎপাদন পর্যায়ে ৩৬ লাখ টাকার ঊর্ধ্বে ১.৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভারের ওপর ৩ শতাংশ হারে কর পরিশোধের বিধান করা। রেয়াত গ্রহণে অসমর্থ ব্যক্তির করযোগ্য পন্য বা সেবা সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজ ২৬.৬৭% হিসাবে গণনা করে তার ওপর ১৫% অর্থাৎ সরবরাহ মূল্যের ওপর ৪% হারে মূসক পরিশোধের বিধান করা। ব্যবসায়ী পর্যায়ে তালিকাভুক্ত বা তালিকাভুক্তিযোগ্য ব্যক্তিদের টার্নওয়ারের পরিমাণ নির্বিশেষে মূল্য সংযোজন ১৩.৩৩% হিসাবে গণনা করে এর ওপর ১৫% অর্থাৎ সরবরাহের ওপর ২% হারে টার্নওভার কর পরিশোধের বিধান করা।

ঢাকা দক্ষিণ ব্যবসায়ী ফোরামের সভাপতি আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের মহাসচিব আবু মোতালেব।

এই বিভাগের আরো সংবাদ