[bangla_day], [english_date], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]

সিলেটের জৈন্তা রাজাদের পূজিত দেবতার বাড়ী

প্রকাশঃ July 23, 2016 | সম্পাদনাঃ 23rd July 2016

 

আব্দুল হাই আল-হাদী।।

সিলেট-তামাবিল সড়কের পাশে জৈন্তাপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছেই ’জৈন্তেশ্বরী বাড়ী’র অবস্থান। প্রাচীন আমলের উঁচু দেয়াল ঘেরা বিশাল বাড়িটি কালের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে। জাফলং, লালাখাল আর শ্রীপুর বেড়াতে আসা লোকজন প্রায়ই ঐতিহাসিক এ বাড়ী দেখতে আসেন। এটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতাধীন একটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি। অনেকে এ বাড়িকে ভুল করে ’জৈন্তাপুর রাজবাড়ী’ হিসেবেও আখ্যায়িত করে থাকেন।  শিক্ষিত অনেক মানুষও নিজের অজ্ঞাতবশত: এ বাড়িকে রাজবাড়ী মনে করেন। কখনও তা মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে ঐতিহাসিকভাবে প্রতিষ্ঠিত সত্য নিয়ে  জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করেন।

প্রকৃতপক্ষে জৈন্তাপুর রাজবাড়ী ও জৈন্তেশ্বরী বাড়ী সম্পূর্ণ আলাদা দুটি নিদর্শন এবং দু’টির অবস্থান আধা-কিলোমিটারের দূরত্বের মধ্যেই অবস্থিত। রাজার বাসস্থান আর রাজার পূজিত দেবী ’জৈন্তেশ্বরী’ র বাসস্থান দু’টিকে গুলিয়ে ফেলা কোনভাবেই উচিত নয়।

‘জৈন্তেশ্বরী বাড়ী’ মূলত: সিন্টেং বা জৈন্তা রাজাদের পূজিত দেবতার বাড়ী । জৈন্তার রাজা যশোমানিক ১৬১৮ সালে অত্যন্ত আড়ম্বরে উপহার হিসেবে প্রাপ্ত কালি দেবীর মূর্তিকে এ বাড়ীতে স্থাপন করেন এবং বাড়িটি নির্মাণ করেন। বাড়ীটির মধ্যখানে মূল মন্দির ঘরটির অবস্থান। বর্তমানেও মূল ঘরটির ভিটা এবং সংলগ্ন দক্ষিণের ঘরটি নানা দৈব-দুর্বিপাকের মধ্যেও দাঁড়িয়ে আছে। কিছুটা সংস্কার করে একদল হিতৈষী ব্যক্তি ঘরটি ’ইরাদেবী মিলনায়তন’ নামকরণ করেছেন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মাঝে মাঝে এতে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। ঘরটি টিনের তৈরি এবং সমতল থেকে প্রায় ৪/৫ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। কয়েকটি সিঁড়ি বেয়ে ঘরটিতে প্রবেশ করতে হয়। ঘরটির স্তম্ভগুলো লোহার এবং স্থাপত্যশৈলী বেশ দৃষ্টিনন্দন। ঘরটির পশ্চিম দিকে দেয়াল সংলগ্ন প্রায় দু’ফুট উঁচু পাকা মঞ্চ ধাঁচের একটি জায়গা আছে, যেটি ’চণ্ডীর থালা’ নামে পরিচিত। বিগত কয়েক দশক আগেও এখানে একজন ব্রাহ্মণ বসবাস করতেন। এ ঘরটি সংলগ্ন পেছনের দিকে আরেকটি ঘর ছিল, যেটির কয়েক ফুট উঁচু পাকার ভিটা এখনও দেখা যায়। এ ঘরটিই মূল মন্দির ঘর ছিল এবং এটি আয়তাকার। ভিত থাকলেও উপরের কাঠামোটি সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। সম্ভবত: এখানে জৈন্তেশ্বরী দেবী অধিষ্ঠিত ছিলেন । ঘরটি যে খুরই মজবুত ও সুরক্ষিত ছিল , তা বর্তমান ধ্বংসাবশেষ দেখেই নিশ্চিত হওয়া যায়। ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে দেবীর মূর্তিটি চুরি হয়ে যায়।

এ ঘরটির দক্ষিণ দিকে রয়েছে একটি পানির কুপ যা স্থানীয়দের কাছে ’ইন্দিরা’ নামে পরিচিত। কুপটি পাকার বাধানো এবং বর্তমানে এটির পানি আর ব্যবহার উপযোগী নয়। এর পাশেই রয়েছে পাকার উঁচু গোলাকৃতি একটি পাটাতন বা বেদী যেখানে মানুষ বলি দেওয়া হতো বলে কথিত আছে। এজন্য পাটাতনটি ’বলির পাটাতন’ নামে পরিচিত। বেদীটি বেলে পাথরের তৈরি এবং আয়তন প্রায় ৩ বর্গ মিটার। বেদীর গোলাকৃতি অংশ থেকে উত্তর দিকে ক্রমশ: নীচের দিকে একটি সিঁড়ি চলে গেছে । এটির দুটি ধাপ রয়েছে-প্রথমাংশ সামান্য উঁচু এবং পরের অংশ প্রথমাংশ থেকে খানিকটা নিচু হয়ে ক্রমশ: ভূমির দিকে চলে গেছে। সম্ভবত: নরবলি দেওয়ার নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এখানে সম্পাদিত হতো। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, এই মানুষ বলি দেওয়ার অপবাদেই (?) ব্রিটিশরা ১৮৩৫ সালে জৈন্তারাজ্য দখল করে নেয় ।

বর্তমানে বাড়ীটিতে মোট তিনটি ফটক দেখা যায়। প্রধান ফটকটি দক্ষিণ দিকে অবস্থিত এবং সেটি সাবেক কালেব রাজকীয় ভাব অনেকটা ধরে রাখতে পেরেছে। যদিও সংস্কার ও পরিচর্যা অভাবে সেটি এখন প্রায় বিবর্ণ এবং ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পের কারণে উপরের অংশটি ভেঙে পড়েছে। অপর গেইট দুটির একটি পূর্বদিকে এবং একটি পশ্চিমদিকে অবস্থিত । নিরাপত্তার জন্য সে দু’টি এখন বন্ধ করে রাখা হয়েছে। সম্ভবত: রাজা রাজবাড়ী হতে এ পূর্বদিকের গেইট দিয়েই যাতায়াত করতেন। তবে এ বাড়ীর সবচেয়ে আকর্ষণ এবং দর্শনীয় বিষয়টি হচ্ছে বাড়িটির বিরাট উঁচু দেয়াল। বিশাল এ বাড়িটির পুরোটাই  ৮ হাত উঁচু দেয়াল দিয়ে ঘেরা এবং দেয়ালের মধ্যে হাতি, ঘোড়াসহ নানাপ্রকার প্রাণীর চিত্র অংকিত আছে। জৈন্তেশ্বরী বাড়ীর দেয়ালের মধ্যে উত্তর-পশ্চিম দিকে আরেকটি ভবনের ধ্বংসাবশেষ এখন দেখতে পাওয়া যায়। এটি সম্ভবত: রাজ্যের সচিবালয় হিসেবে ব্যবহৃত হতো। মন্দিরের দক্ষিণ দিকটি রাজার দরবার হল হিসেবে ব্যবহৃত হতো বলে কথিত আছে এবং প্রধান ও অভিজাতদের বসার জন্য সেখানে পাথরের আসন রয়েছে। সে পাথরগুলো ’মেগালিথিক’ নামে পরিচিত এবং এগুলো জৈন্তিয়ার প্রাচীনত্বের এক জীবন্ত নিদর্শন।

‘জৈন্তেশ্বরী বাড়ী’র ইতিহাস অধ্যয়ন করে জানা গেছে, রাজা ধন মানিক ১৫৯৬ থেকে ১৬০৬ সাল পর্যন্ত জৈন্তিয়ার অধিপতি ছিলেন । তাঁর মৃত্যুর পর ১৬০৬ সালে কাছাড় রাজ শত্রুদমন যশোমানিককে মুক্তি দেন। যশোমানিক দেশে ফিরে আসেন ও সিংহাসন লাভ করেন। ১৬১৮ সালে শত্রুদমন ও অসমরাজ প্রতাপ সিংহের মধ্যে যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে প্রথমে কাছাড় রাজ পরাজিত হন। যুদ্ধ জয়ের পর অহম রাজ সেনাপতি সুন্দর গোসাইকে রহা দুর্গে রেখে নিজে রাজধানীতে প্রত্যর্পণ করেন। এ সুযোগে কাছাড় পতির ভ্রাতা ও সেনাপতি ভীমবল রহা দুর্গ আক্রমণ করেন। অতর্কিত এই আক্রমণ প্রতিরোধে তিনি অসমর্থ হন , অধিকাংশ সেনা মৃত্যুবরণ করে , বাকিরা পালিয়ে যায়। কাছাড়পতি এই বিজয়কে স্থায়ী করার জন্য রাজধানী মাইবঙ্গের নতুন নাম করেন ’কীর্তিপুর’। এ সময় থেকে কাছাড়পতিকে জৈন্তাপতি কর্তৃক বার্ষিক নজরানা দেওয়ার প্রথাও রহিত হয়।

শত্রুদমনের এই বিজয়ের পর যশোমানিক কোচবিহার গমন করেন এবং কোচরাজ লক্ষ্মীনারায়ণের কন্যাকে বিয়ে করেন। সে বিয়েতে যৌতুকস্বরূপ ধাতুনির্মিত মূল্যবান একটি দেবমূর্তি প্রাপ্ত হন। দেবী কালীর সে মূর্তিকে অত্যন্ত সম্মানের সাথে জৈন্তাপুরে নিয়ে মহাসমারোহে ’জৈন্তেশ্বরী কালী’ নামে প্রতিষ্ঠিত করেন। Sir Edward Gait তাঁর The History of Assam বইয়ে এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন, ‘It is said that he brought back with him the image of ‘Jointesvair’ which was thenceforth worshipped with great assiduity at Jaintapur ( Gait: 1897, Chapter 11, Page:257)। শ্রী অচ্যুতচরণ চৌধুরী তত্বনিধি,ফজলুর রহমান, আব্দুল আজিজ মাস্টার, মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন প্রমুখ ঐতিহাসিকরা একই মত পোষণ করেছেন। এ প্রসঙ্গে   Syed Murtaza Ali তাঁর The History of Jaintia বইয়ে মন্তব্য করেন ‘He married a daughter of the Koch King Laxminarin (1587-1627). At the time of the marriage he got as dower an image of Kali which was installed as Jayanteswari. The remnants of the walls with raised engravings of tigers, elephants and other wild animals are still to be seen. (Syed Murtaza Ali: 1954) যশোমানিকের পূর্বে রাজদরবারে জৈন্তা বা সিন্টেং রীতি-নীতি পালিত হতো কিন্তু এ মূর্তি স্থাপনের পরেই রাজকীয় পরিবারে হিন্দুদের মূর্তিপূজা শুরু হয়।

জৈন্তেশ্বরী বাড়ীতে ’বলির পাঠাতেন’ নামক প্রাচীন স্থাপনাটিতে কী আসলেই নরবলি দেওয়া হত- সে বিষয়টি খানিকটা আলোকপাত এখানে অপ্রাসঙ্গিক হবেনা। ইংরেজ ঔপনিবেশিক লেখকদের মতো বাঙালি লেখকরা একমত হয়েছেন যে, প্রাচীন জৈন্তারাজ্যের জৈন্তেশ্বরী মন্দির ও ফালজুরের বামজঙ্ঘাপীঠে নরবলি দেওয়া হতো । এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত এবং গভীরভাবে আলোচনা করেছেন স্যার এডওয়ার্ড গেইট।। প্রবন্ধটি ‘Journal of the Asiatic Society of Bengal, vol. i. of 1898’, প্রকাশিত হয় যা পড়লে প্রাণাত্মা কেঁপে উঠে। এ নরবলির অজুহাতেই ১৮৩৫ সালে ইংরেজরা জৈন্তিয়া দখল করে নেয়।  কখনও কখনও স্বেচ্ছাবলিদানের লোকের অভাব দেখা দিত। কিংবা প্রতিশ্রুত বিশেষ বলি যেমন একটি পুত্র সন্তানের জন্ম ও বিপদ থেকে আসান ইত্যাদির জন্য হঠাৎ লোকের প্রয়োজন হত  । সে রকম অনুষ্ঠানের জন্য, জৈন্তারাজ্যের বাইরে থেকে আগন্তুক ধরে আনার জন্য লোক পাঠানো হতো ।

যারা জৈন্তেশ্বরী বাড়িকে রাজবাড়ী বলে থাকেন, তারা আসলে ঐতিহাসিক সত্যকে অস্বীকার করে থাকেন। জৈন্তেশ্বরী বাড়ি  প্রায় আধা কিলোমিটার  কিলোমিটার পূর্বদিকে রাজবাড়ীর অবস্থান। উপজেলা কমপ্লেক্্েরর মূল গেইটের প্রায় ২০০ মিটার পশ্চিমে রাস্তার উত্তর দিকে টিলার উপর কিছু নিদর্শন নিয়ে সেটি এখনো ইতিহাসের সত্য প্রচার করছে।  সমতল ভূমি হতে রাজবাড়ীর টিলার উচ্চতা প্রায় ৪/৫ হাত হবে এবং সে টিলার উপরিভাগ সমতল। বর্তমান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র, দারুস সুন্নাহ মাদরাসা, রাজবাড়ী আবাসিক এলাকা এবং দক্ষিণ দিকের দোকান-পাট ও বাড়ীঘর সবই মূলত: রাজবাড়ীরই অংশ ছিল। পশ্চিম দিকে এর ছোট-বড় আরো কয়েকটি ফটক ছিল । বর্তমান রাজবাড়ী মাঠের দক্ষিণ দিকে সে ফটকগুলোর একটি এখনও কোন রকমে টিকে আছে এবং সেখানে সমতলভূমিতে একটি সুরম্য মন্দির এখনও অবিকৃতভাবে দাঁড়িয়ে আছে। এছাড়া রাজবাড়ীর পুকুর, মাঠ, রাজার ঘরের পাকা ভিটে, পানির ইন্দিরা , পারিবারিক মন্দির ইত্যাদি গৌরবজনক অতীতের সাক্ষ্য বহণ করছে।

জৈন্তারাজাদের প্রথম রাজবাড়ীটি ছিল ’পুরাতন রাজবাড়ী’ নামে এখনো সাধারণ মানুষদের কাছে পরিচিত। বর্তমান জৈন্তাপুর থানা এবং সিএন্ডবি’র বাংলোর স্থানে সে রাজবাড়ীটি নির্মান করা হয়েছিল। রাজা লক্ষি সিংহ যিনি লক্ষীনারায়ন নামেও পরিচিত, তিনি ১৬৮০ সালে সে রাজপ্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন। বাড়ীর ফটকে লেখা ছিল ’১৬৩২ শক’ ; কিন্ত যেহেতু লক্ষী সিংহ ১৬২৩ শকাব্দে মারা যান , তাই স্যার এডওয়ার্ড গেইটের অনুমান হচ্ছে- সনটি হবে ’১৬০২ শকাব্দ’ । ১৮৯৭ সালের ১২জুনের প্রলয়ংকারী ভূমিকম্পে গেইটটি সহ রাজবাড়ীর অনেক ভবন ধবংসস্তুুপে পরিণত হয় ।  বর্তমান রাজবাড়ীটি রাজা দ্বিতীয় বড় গোসইয়ের রাজত্বকালে নির্মাণ করা হয়। তিনি ১৭৩১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় ৪০ বছর রাজত্ব করেন। তাঁর ভাগনে এবং প্রধান সেনাপতি ফতেহ খাঁ’র পরিকল্পনা,  নির্দেশনা ও প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে রাজবাড়ীটি নির্মিত হয়।  ঢাকা ও মুর্শিদাবাদের লব্ধ জ্ঞান তিনি কাজে লাগান। পুরাতন রাজবাড়ীটি পাথর নির্মিত ছিল। ফতেহ খাঁ নতুন রাজবাড়ীতে প্রথম ইটের ব্যবহার করেন এবং মোগল স্থাপত্যশৈলীর মিশেল ঘটান। এতে নতুন রাজবাড়ীটি অত্যন্ত সুরম্য ও দৃষ্টিনন্দন হয়েছিল। প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য যে, সেনাপতি ফতেহ খাঁ ই প্রথম জৈন্তারাজ্যে মোগল স্থাপত্যের প্রচলন করেন।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, জৈন্তেশ্বরী বাড়ি ও তাঁর অবস্থান নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে কোন দ্বিমত নেই। রাজবাড়ী নিয়েও নেই কোন সন্দেহ। সেটিও ইতিহাসের প্রতিষ্ঠিত সত্য। অন্ধের হাতি দর্শনের মতো জৈন্তেশ্বরী বাড়ী দেখেই নিজের মনের মাধুরী মিশিয়ে সেটিকে রাজবাড়ি বানিয়ে ফেলা কিংবা অনুমান করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। যারা পুজনীয় দেবীর স্থানে পূজারীদের প্রতিস্থাপন করতে ইচ্ছুক, তারা যদি অনতিদূরে অবস্থিত রাজবাড়ীকে একটু দেখে আসতে পারেন, ঘাটাতে পারেন ইতিহাসের কেতাব। হয়তোবা  নিজেদের বিচ্যুতি ধরা পড়লেও পরতে পারে। অন্যথায় নিজের দেউলিয়াত্ব ছাড়া আর কিছুই হাসিল হবেনা।

তথ্যসূত্র: 
১.     আজিজ, মোহাম্মদ আবদুল; জৈন্তা রাজ্যের ইতিহাস-, জুন-১৯৬৪, জৈন্তাপুর, সিলেট
২.     হক, মো.ফয়জুল;  জৈন্তা রাজ্যের পৌরাণিক ইতিহাস—; মে ২০০৯ইং জৈন্তাপুর, সিলেট 
৩.     Chowdhury, J.N., The Khasi People—Shilong, Meghalay, India, 1996
৪.     পাতাম, রুশ; খাসিয়াদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি; অক্টোবর, ২০০৫; ঢাকা, বাংলাদেশ
৫.     রহমান, ফজলুর; সিলেটের মাটি সিলেটের মানুষ——ফজলুর রহমান, ১৯৯১
৬.     Ali, Syed Murtaza ;The History of Jaintia—-, Ramana, Dhaka, 1954
৭.     হোসেন ,মোহাম্মদ আশরাফ- শিলহটের ইতিহাস———, ১৯৯০
৮.     অচ্যুতচরণ চৌধুরী তত্ত্বনিধি। শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত (পূর্বাংশ)। ঢাকা :উৎস প্রকাশন, ২০০২।
৯.    অচ্যুতচরণ চৌধুরী তত্ত্বনিধি। শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত (উত্তরাংশ) । ঢাকা :উৎস প্রকাশন, ২০০২।

এই বিভাগের আরো সংবাদ