[bangla_day], [english_date], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]

সাগরে নিম্নচাপ, সারাদেশে ভারী বর্ষণ! অবস্থা অব্যাহত থাকতে পারে আরো ২ দিন।

প্রকাশঃ October 23, 2020 | সম্পাদনাঃ 23rd October 2020

গতকাল থেকেই বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের কারণে দেশের উপকূলীয় এলাকা সহ প্রায় সব জেলা-উপজেলায়  গুরিগুড়ি বৃষ্টি থেকে  ভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। নিম্নচাপের কারণে জোয়ারের উচ্চতা, বাতাস ও বৃষ্টির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন স্থানে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

গত ২১ অক্টোবর রাত থেকে টানা বৃষ্টিতে জনজীবন প্রায় থমকে গেছে। এতে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, দেশের উপকূলীয় দ্বীপ ও চরগুলোতে রেকর্ড বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে সন্দ্বীপ, হাতিয়া, ভাসানচরে শনিবার ৩০০ থেকে ৫০০ মিলিমিটার বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। উপকূলীয় জেলাগুলোর মধ্যে খুলনা ও বরিশালে ২০০ থেকে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। আর রাজধানীসহ দেশের মধ্যাঞ্চলে ১০০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। এই ভারী বৃষ্টি শহরে জলাবদ্ধতা, গ্রামে ফসলের ক্ষতি এবং নদীতীরবর্তী এলাকায় বন্যা নিয়ে আসতে পারে।

তবে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান মনে করেন, গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা কম হলেও শেষ সময়ে এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতেও পারে। সে ক্ষেত্রে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কিছুটা কমে আসবে। আর পূর্বঘোষণা অনুযায়ী এর নাম হতে পারে ‘গতি’। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কথা বিবেচনা করে চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং উপকূলকে ৪ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নৌযানগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি এসে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।সরকারের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে উপকূলীয় নিম্নচাপ সম্পর্কে প্রকাশিত বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী দুই দিন অর্থাৎ ২৩ ও ২৪ অক্টোবর দেশের উপকূল থেকে মধ্যাঞ্চল পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও অতিভারী বৃষ্টির আশঙ্কা আছে। নিম্নচাপের প্রভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি জোয়ার হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের কৃষি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃষ্টি থেকে শীতকালীন ফসল রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ