[bangla_day], [english_date], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]

মুখ্যসচিবের সঙ্গে বিভাগীয় কমিশনারের ভিডিও কনফারেন্স

প্রকাশঃ June 15, 2016 | সম্পাদনাঃ 15th June 2016

 

চট্রগ্রাম প্রতিনিধি : বিভাগীয় কমিশনার মো. রুহুল আমীনের ভিডিও কনফারেন্স শুরু হয়েছে আজ মঙ্গলবার বেলা আড়াইটায় চট্রগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘ভূমি পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন’ শীর্ষক এ কনফারেন্স শুরু হয়।

এসময় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আলী হোসেন, নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক বদরে মুনীর ফেরদৌস, লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় উপকূলীয় ও চরাঞ্চলে নতুন করে জনবসতি গড়ার লক্ষ্যে বন্দোবস্তি না দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. আবুল কালাম আজাদ।

মুখ্যসচিব বলেন, নতুন করে ভূমি বন্দোবস্তি দেওয়ার উদ্যোগ বা প্রক্রিয়া শুরুর দরকার নেই। আমরা ওই জমিতে স্পেশাল ইকোনমিক জোন করবো। এসব জোনের জন্যে জেটি, হোটেল, মোটেল, ডরমেটরি করবো।

পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন করবো। পরিকল্পিত ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের সমৃদ্ধি আনবো। শুধু বন্দর বা ইকোনমিক জোনের জন্যে ভূমি বন্দোবস্ত দেওয়া যাবে।

তিনি ভূমি মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে উপকূলীয় এলাকার ভূমি পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়নের জন্যে বিশেষ উইং খোলার নির্দেশনা দেন।

একই সঙ্গে চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় জেলার জেলা প্রশাসকদের এক মাসের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এসি ল্যান্ড, সার্ভেয়ারদের মাধ্যমে জরিপ করে যেসব চর জেগেছে এবং যেখানে চর জেগে উঠতে পারে তার তথ্য ভূমি মন্ত্রণালয় ও কোথায় বেড়িবাঁধ দিলে বা সংস্কার করলে ভূমি রক্ষা পাবে এবং কোথায় ক্রসড্যাম দিলে নতুন ভূমি জেগে উঠতে পারে তার তথ্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক জানান, নোয়াখালী প্রতিনিয়ত ভাঙছে আর গড়ছে। নিঝুম দ্বীপে নোয়াখালীর চেয়ে দ্বিগুণ বড় চর জাগছে। কোম্পানিগঞ্জে বিপুল পরিমাণ চর জাগছে।

৩৫০ একর জমিতে ইকোনমিক জোন করার জন্যে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। সমস্যা হচ্ছে সেখানে ১২টি মামলা রয়েছে। লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক বলেন, চরগজারিয়া চর আবদুল্লায় কারও নামে বন্দোবস্তি দেওয়া হয়নি। ইকোনমিক জোন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

ফেনীর জেলা প্রশাসক বলেন, চর নাসিমে ২ হাজার ৭০০ একর চর জেগেছে। উত্তরাংশে ১০০ একর বনাঞ্চল ছিল। আরও বন সৃজন করতে পারলে তিন-চার হাজার একর চর জাগবে। আগামী সাত-আট বছরের মধ্যে ভূমি হিসেবে পাবো।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক বলেন, মিরসরাই ও সন্দ্বীপে চর জাগছে। ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মিরসরাই যে ভূমি জেগে উঠবে সবই ইকোনমিক জোনের জন্যে দেওয়া হবে। উড়িরচরে চর জাগছে আবার ভেঙেও যাচ্ছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক বলেন, মহেশখালীতে স্পেশাল ইকোনমিক জোনের জন্যে পর্যাপ্ত জমি বরাদ্ধ দেওয়া হচ্ছে। টেকনাফের সাবরাংয়ে ক্রসড্যাম দিলে ভূমি উদ্ধার হবে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ