[bangla_day], [english_date], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]

মানস সরবরে অদ্ভূত আলোক রশ্মি (ভিডিও)

প্রকাশঃ April 25, 2016 | সম্পাদনাঃ 25th April 2016

সাম্প্রতি কৈলাস পাহাড় ও মানস সরবরে সন্ধান পাওয়া গেল এক অদ্ভূত আলোক রশ্মির।

এই রশ্মির আভাসে দিনেরবেলা সরবরটি উজ্জ্বল হয়ে উঠে এবং রাতের অন্ধকারে প্রদীপের শিখার মত প্রজ্জ্বলিত হয়। কিন্তু এই আলোক রশ্মির উৎপত্তিস্থল কোথায় তা এখনো জানা যায়নি। কৈলাস পহাড়ের নিচেয় অবস্থিত মানস সরোবর এবং রাক্ষস সরবরের সূর্য এবং চন্দ্রের আকর্ষণই প্রদর্শিত হয় যাদের মধ্যে ইতিবাচক বা নেতিবাচক উভয় মনোভাবই বিদ্যমান রয়েছে। তবে পৌরাণিক এই তথ্যের উপর ভিত্তি করে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ এখানে এসে ভিড় করে। সরোবরের এই রহস্যময়ী রশ্মির কথা  আগে শোনা গেছে। কিন্তু তা কখনো  প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি শৈলেন্দ্র চিন্থা নামের এক ব্যক্তি একটি ভিডিওর মাধ্যমে তা প্রমাণ করে দেখালেন।

মানস সরবর মূলত হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত একটি মিষ্টি জলের হ্রদ। এই সরোবরের উত্তরে রয়েছে বিশাল কৈলাস পাহাড়।

মানস সরোবরের উত্তরে রয়েছে কৈলাস পার্বত

 

হ্রদটির পৃষ্ট তলীয় আয়তন প্রায় ৪১০ বর্গ কিলোমিটার এবং গড় গভীরতা প্রায় ৯০ মিটার। শীতকালে মানস সরোবরের জল জমে সম্পুর্ণ বরফে হয়ে যায়।

 

 

এখান থেকে বহু নদী উৎপন্ন হয়েছে। ব্রহ্মপূত্র ও সিন্ধু এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নদী। পূরাণে বর্ণনা অনুযায়ী ব্রহ্মার ‘মন’ থেকে এর উৎপত্তি হয়।  এছাড়াও হিন্দুধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন মানস সরবরের কাছে অবস্থিত কৈলাস পাহাড়ে দেবাদিদেব মহাদেব থাকেন। তাই হিন্দুধর্মাবলম্বীরা এই স্থানকে পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবেই গণ্য করে। তাছাড়া প্রতিবছর তিব্বত, নেপাল, ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বহু তীর্থযাত্রীরা এখানে আসেন। হ্রদের তীরে তীর্থযাত্রীদের অবকাশযাপনের জন্য রয়েছে মন্দির,  চমৎকার সব পর্বতগুহা ও দর্শনীয় বস্তু। এর মধ্যে প্রাচীন চিউ গোমপা মন্দির বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

 

 

পাহাড়ের ঢালে অবস্থিত এই মন্দিরটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে দেখলে মনে হবে এটি পাথর কেটে নির্মিত।

এই বিভাগের আরো সংবাদ