[bangla_day], [english_date], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]

মাছের তেলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়ে!

প্রকাশঃ July 28, 2016 | সম্পাদনাঃ 28th July 2016
Feature Imageস্বাধীনতা৭১ডটকম
নিউজ ডেস্ক : আমরা জানি মাছ খেলে সতেজ থাকে হৃদযন্ত্র, হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমে। প্রচলিত এই ধারণা আসলে আগাগোড়া ভুলে ভরা, জানাচ্ছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা।

মাছের চর্বিতে রয়েছে ২ ধরনের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এপিএ এবং ডিএইচএ, যা অ্যাস্পিরিনের মতোই রক্তের তরলীকরণ প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে এবং ধমনীতে জমাট বাঁধার সম্ভাবনা কমায়।
cooking-fish
গবেষণাগারের পরীক্ষায় দেখা গেছে, ওমেগা-৩ অ্যাসিড প্রদাহ হ্রাস করে, রক্তের প্রবহমানতা বৃদ্ধি করে, রক্তচাপ কমায় এবং স্নায়ুতন্ত্রের কাঠামো শক্তপোক্ত করতে সাহায্য করে।

দুঃখের বিষয়, মাছের তেলের এই সব উপকারিতা শুধুমাত্র গবেষণাগারের চার দেওয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। বাস্তবে তা মানুষের কাজে লাগে না। হাজার হাজার মানুষের ওপর পরীক্ষা করার ফলে এমনই জানা গেছে।

আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালের সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে ৭০ হাজার মানুষের ওপর করা পরীক্ষায় দেখা গেছে, নিয়মিত মাছের তেল খাওয়ার জন্য হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক বা অল্পবয়েসে মৃত্যুর মতো ঘটনা ঠেকানো যাচ্ছে না।
Fish-Oil
চিকিৎসকদের হুঁশিয়ারি, অ্যাস্পিরিন বা রক্ত তরলীকরণের কোনও ওষুধের সঙ্গে মাছের তেল খেলে রক্তবাহী শিরায় ফাটল দেখা দিতে পারে এবং নাক-মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণের মতো ঘটনা ঘটাও বিচিত্র নয়।

তাদের মতে, অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসেই মারাত্মক হয়ে উঠছে মাছের তেল বা তার থেকে তৈরি সাপ্লিমেন্ট। তৈলাক্ত মাছ থেকে তেল বের করতে সেগুলো পেষাই করা হয়।

হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের বিজ্ঞানী প্রেস্টন মেসন জানিয়েছেন, ফিশ অয়েল সাপ্লিমেন্ট তৈরি করার জন্য মাছ গুঁড়ো করার পর তা সূর্যের আলোর নিচে শুকোতে দেওয়া হয়। এই সময় হাওয়ার স্পর্শে মাছের তেল অক্সিডাইজড বা জারিত হয়। জারিত মাছের তেলে থাকে অক্সিডাইজড লিপিডস, যা মানুষের দেহকোষের ভিতর দ্রুত হারে পরিবর্তন ঘটায় যার জেরে ফুসফুস ও হার্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন অসুখ দেখা দিতে পারে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ