[bangla_day], [english_date], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]

মঙ্গলবার খালেদা জিয়া আত্মসমর্পণ করবেন

প্রকাশঃ April 3, 2016 | সম্পাদনাঃ 3rd April 2016

 

 

khaladazia

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় গাড়িতে পেট্রোলবোমা মেরে যাত্রী হত্যার অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বেগম জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই তিনি মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করবেন।

এর আগে ২৮ মার্চ আদালতে হাজির না হওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৭ এপ্রিল দিন ধার্য করেন তিনি।

মামলায় ৩৮ আসামির মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার, তৎকালীন যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, আমান উল্লাহ আমান, শিক্ষক নেতা সেলিম ভূঁইয়াসহ ছয়জন জামিনে রয়েছেন।

অপরদিকে শহিদুল খান, লিটন, পারভেজসহ চারজন কারাগারে রয়েছেন। আর বাকি ২৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির উল্লেখ্যযোগ্য আসামিরা হলেন— বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু, বিএনপি চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সাবেক ছাত্রনেতা হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, আজিজুল বারী হেলাল, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপি নেতা কাউয়ুম কমিশনার, লতিফ কমিশনার, সালাউদ্দিন আহম্মেদ, নবী উল্লাহ নবী, বাদল কমিশনার।

২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রাবাড়ীর কাঠেরপুল এলাকায় গ্লোরি পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে বাসের ২৯ যাত্রী দগ্ধ হন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হলে ১ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নূর আলম (৬০) নামে এক যাত্রী।

ওই ঘটনায় ২৪ জানুয়ারি বিকেলে খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কে এম নুরুজ্জামান। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫/২৫ (ঘ) ধারায় দায়ের করা মামলায় পেট্রোলবোমা নিক্ষেপের পরিকল্পনাকারী হিসেবে বিএনপির ১৮ নেতার নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী হিসেবে যাত্রাবাড়ী বিএনপির ৫০ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।

২০১৫ সালের ৬ মে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) বশির উদ্দিন ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে বিশেষ ক্ষমতা আইন অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে খালেদা জিয়াসহ ৩১ জনকে পলাতক দেখানো হয়েছে। আদালতে বেগম খালেদা জিয়াসহ পলাতক ৩১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। এ মামলায় সাক্ষী করা হয় ৮১ জনকে।

অভিযুক্ত অন্য আসামিরা হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, তৎকালীন যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, আমানউল্লাহ আমান, বরকত উল্লাহ বুলু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন, শওকত মাহমুদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ও সাবেক ছাত্রনেতা হাবিব-উন-নবী খান সোহেলসহ ৩৮ জন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ