[bangla_day], [english_date], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]

বিদেশি ব্যাংকগুলোর কর বাড়ানোর প্রস্তাব

প্রকাশঃ May 4, 2016 | সম্পাদনাঃ 4th May 2016

2016_05_04_14_34_10_SHGi9OLVfwRYuH4xsewW9wrJ7e1wNT_original

ঢাকা : বিদেশি ব্যাংকগুলোকে দেশের পুঁজিবাজারে নিয়ে আসতে এবং রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করতে এসব ব্যাংকের কর বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএমবিএ)।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির নয় এমন বিদেশি ব্যাংকের আয়কর সাড়ে ৪২ থেকে বাড়িয়ে ৪৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে দেশীয় তফসীলি ব্যাংকের আয়কর ৪০ শতাংশ করার প্রস্তাবও দিয়েছে আইসিএমবিএ’র সভাপতি আরিফ খান।

বুধবার দুপুরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরের প্রাক বাজেট আলোচনায় এসব প্রস্তাব দেন।

আরিফ খান বলেন, ‘বিদেশি ব্যাংকগুলো দেশে ব্যবসায় করে হাজার হাজার কোটি টাকা মুনাফা করছে। কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত পুঁজিবাজারে তালিকাভু্ক্ত হয়নি। তারা তালিকাভূক্ত হলে দেশের মানুষ উপকৃত হবে এবং দেশের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে। এজন্য পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এবং তালিকাভুক্ত নয় এমন ব্যাংকগুলোর কর ব্যবধান বাড়ানোর প্রস্তাব করছি।’

বর্তমানে ব্যাংকগুলোর সুদহার কমে গেছে। বিনিয়োগকারীদের শেয়ারবাজারে আকৃষ্ট করতে করমুক্ত লভ্যাংশের সীমা ২৫ হাজার টাকা থেকে বাড়ানো প্রয়োজন। এ সীমা বাড়ানো হয়ে দেশি বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারে আসতে আগ্রহী হবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ১ লাখ টাকার জমি, বিল্ডিং অথবা অ্যাপার্টমেন্ট রেজিস্ট্রেশনের সময় বাধ্যতামূলক ভাবে ই-টিআইএন করতে হয়। সেখানে সব এলাকার ক্ষেত্রে ১ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হচ্ছে।’

সংগঠনটির পক্ষ থেকে তিনি আরো বলেন, ‘ব্যক্তিগত কর মুক্ত আয় সীমা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ করার প্রস্তাব করছি। একই সঙ্গে পণ্য ক্রয়ের উপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা প্রস্তাব করছি। কারণ পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই ক্রয়ের উপর ৫ থেকে ১০ শতাংশ ভ্যাট নিয়ে থাকে।’

প্রাক-বাজেট আলোচনা পরিাচালনা করেন এনবিআরের সদস্য (আয়কর নীতি) ইকবাল পারভেজ।এসময় আগামী অর্থবছরের এনবিআরের বাজেট সমন্বয়কারী আকবর হোসনে ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ