[bangla_day], [english_date], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]

ফাঁস হল সোনিয়া গান্ধীর অজানা প্রেম কাহিনী

প্রকাশঃ June 9, 2016 | সম্পাদনাঃ 9th June 2016

146546743531

প্রতিবেশী:: এবার ফাঁস হলো ভারতের সাবেক প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর স্ত্রী সোনিয়া গান্ধীর গোপন প্রেম। ১৪ বছর বয়সে এক ফুটবলারের প্রেমে পড়েন সোনিয়া। ওই খেলোয়ারের সঙ্গে চার বছর চুটিয়ে প্রেমও করেছেন তিনি।

দীর্ঘ সময় প্রেম করলেও বিয়ের পথে এগোননি তারা। ফলে তাদের চার বছরের প্রেমের ইতি ঘটে। পরস্পরের কাছ থেকে তারা দূরে সরে যান। বলা যায়, ভাগ্যেই তাদের মিলতে দেয়নি কিংবা তারাই মিলতে চাননি।

সময়টা ষাটের দশক। সোনিয়া গান্ধীর নাম তখন আন্তোনিয়া মাইনো। চৌদ্দ বছরের ফুটফুটে এক কিশোরী। তিনি প্রেমে পড়েন ফুটবলার ফ্রাঙ্কো লুইসনের। প্রথমে দেখা, তার পর প্রেম। এক সাক্ষাৎকারে সোনিয়ার প্রথম প্রেমিক ফ্রাঙ্কো লুইসন টাইমমেশিনের সাহায্যে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছেন সেই ষাটের দশকে।

আন্তোনিয়া মাইনো ও ফ্রাঙ্কোর খুব মিষ্টি সম্পর্ক ছিলো। চার বছর টিকে ছিলো তাদের প্রেম। তাদের প্রেম পূর্ণতা না পেলেও ফ্রাঙ্কো এখনো সোনিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল। সোনিয়া এখন যে জায়গায় পৌঁছেছেন তাতে বেশ খুশি ফ্রাঙ্কো।

ফ্রাঙ্কো বলেছেন, আন্তোনিয়া মাইনোর সঙ্গে তার প্রেম এক আশীর্বাদ। এই প্রেমের কথা জানতো তাদের দুই পরিবারও। তারা তা স্বীকারও করে নিয়েছিলেন।  ফ্রাঙ্কো যেতেন আন্তোনিয়ার বাড়িতে।  খুব ভালোভাবেই তাকে আপ্যায়ন করা হতো।

ফ্রাঙ্কো আরো বলেছেন, সোনিয়া তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। সোনিয়ার জীবনে রাজীব গান্ধী না এলে হয়তো ফ্রাঙ্কোর সঙ্গেই তার বিয়ে হতো। ব্যক্তিগত কিছু সমস্যার জন্য ফ্রাঙ্কোই বিয়ের প্রস্তাব পিছিয়ে দিতেন।

গোড়ায় ফ্রাঙ্কো ভেবেছিলেন, ফুটফুটে আন্তোনিয়া বোধহয় ছলনা করছেন। কিন্তু আন্তোনিয়াও গভীরভাবে প্রেমে পড়েছিলেন ফ্রাঙ্কোর।  ফ্রাঙ্কোর অনুশীলন দেখতে আসতেন আজকের সোনিয়া গান্ধী।  টুর্নামেন্ট হয়ে গেলে, খেলা না থাকলে আন্তোনিয়া ও ফ্রাঙ্কো বেড়াতে যেতেন।

ফ্রাঙ্কো বলেছেন, আন্তোনিয়ার প্রথম প্রেমিক ছিলাম আমি। তখন কি কেউ জানতেন ভাগ্য তাদের এমন হবে। এরপর ১৯৬৪ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য ইতালি ছেড়ে সোনিয়া গেলেন ইংল্যান্ডে।

সোনিয়ার সেই সিদ্ধান্ত ভালোভাবে নেননি ফ্রাঙ্কো। ইংল্যান্ডে যাওয়ার পরও সোনিয়া চিঠি লিখতেন ফ্রাঙ্কোকে। এক ছুটিতে সোনিয়া যখন ইতালিতে ফেরেন, তখন ফ্রাঙ্কো অনুভব করেন যে, সোনিয়া পুরোদস্তুর বদলে গেছেন।  তার জীবনে চলে এসেছেন রাজীব গান্ধী।

ফ্রাঙ্কোর সঙ্গে পরে বিয়ে হয় নোরার। নোরা বলছিলেন, তিনি সোনিয়াকে হিংসা করতেন। ফ্রাঙ্কোর বন্ধুরা সোনিয়া সম্পর্কে নানান কথা বলতেন।

এসব শুনে নোরার মনে হয়েছে, সোনিয়া বোধহয় আবার ফিরে আসবেন ফ্রাঙ্কোর জীবনে। নোরার কাছ থেকে ফ্রাঙ্কোকে কেড়ে নেবেন তিনি। কিন্তু সে আর হয়নি। সোনিয়া গান্ধী বিয়ে করেন রাজীব গান্ধীকে।  ইতালি ছেড়ে স্বামীর দেশেই আজীবনের জন্য থেকে যান সোনিয়া গান্ধী।  কিন্তু তাতেও ভাগ্য বদলাতে পারেননি সোনিয়া গান্ধী।

১৯৯১ সালের মে মাসে রাজীব গান্ধীকে হত্যা করে শ্রীলঙ্কাভিত্তিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন লিবারেশন টাইগার অব তামিল ইলমের (এলটিটিই) সদস্যরা। চিরদিনের জন্য একা হয়ে যান সোনিয়া।

এই বিভাগের আরো সংবাদ