[bangla_day], [english_date], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]

নোয়াখালীর মুচাপুর ক্লোজার এখন পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত।

প্রকাশঃ July 23, 2016 | সম্পাদনাঃ 23rd July 2016

IMG_20160722_021758_127(1)

নোয়াখালী প্রতিনিধি, মোঃ রাসেল উল্লাহ :

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ মুচাপুর ক্লোজার এখন পর্যটন কেন্দ্রে পরিনত হয়ে উঠেছে। শুক্রবার বিকেলে হাজার হাজার মানুষের ঢল, সর্বস্তরের জনগন বন্ধু-বান্ধব, পাড়া প্রতিবেশি, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও পরিবার পরিজন নিয়ে চারপাশ থেকে ছুটে আসেন ক্লোজার দেখার জন্য।
স্থানীয় লোক জনের মুখে জানা যায়, গত কয়েক বছর যাবৎ ফেনী ছোট নদীর মুচাপুরের অংশটা ভাংতে থাকেন, এক পর্যায়ে ২৩ ভেন্ট রেগুলেটর করা হয়। প্রায় ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ৩ কিলোমিটার প্রস্তের সমুদ্র সৈকতের যেই কোন যায়গায় দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যস্তয় উপভোগ করা যায়।
হটাৎ করে গত রমজান ঈদের দু-দিন পর থেকে চারদিক থেকে মানুষ ছুটে আসে এবং দেখা যায় দূর দূরান্ত থেকে গাড়ী বর্তি ফ্যামেলি ও পিকআপ-বেন ভাড়া করে বক্স মাইক বাজিয়ে পিকনিক করতে আসেন। তারা আলো বলেন, এ অবস্থা দেখে এখানকার জনগন সব সময় খুব সতর্কর সাথে মানুষের যান মালের নিরাপত্তা দেওয়া চেষ্টা করে যাচ্ছে।
জানা যায় ইতিমধ্যে মুচাপুর ক্লোজারটি পর্যটন করার জন্য উপজেলা বনবিভাগ কর্মকর্তা রেঞ্জ ২০১৫ সালে প্রধান বন সংরক্ষন বরাবরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
দূর দূরান্ত থেকে আসা কয়েক জনের সাথে আলাপ কালে তারা বলেন, নোয়াখালীতে কোন পর্যটন কেন্দ্র না থাকায় মানুষ যেতে হয় কক্সবাজার না হয় অন্য কোন পর্যটন কেন্দ্রে, বর্তমানে রাজনৈতিক ও দেশের মধ্যে দাঙ্গা-হাঙ্গামা বেড়ে যাওয়ায় মানুষ ওগুলোতে যাওয়া আসায় ভয় পায়। তাই এই ঈদে নোয়াখালীবাসী কোথাও যেতে না পেরে এ ক্লোজারকে পর্যটন হিসেবে বেছে নিয়েছেন। শুধু তাইনা ফেনী জেলা থেকেও আসতেছে হাজার হাজার মানুষ।
সরকার ও স্থানীয় মন্ত্রী মহদ্বয়ের কাছে সকলের একটায় দাবী মুচাপুরের ক্লোজারকে পর্যটন কেন্দ্র ঘোষনা করা হোক। আরো বলেন, বৃষ্টি আসলে সবাইকে ভিজতে হয়, নারী পুরুষ কারো কোন পায়খানা প্রস্রাব করার মত কোন ব্যবস্থা নাই, শুধু তাইনা যান-মালের রক্ষার্থে এখানে পর্যটন পুলিশ বা একটা পুলিশ ক্যাম্প করা প্রয়োজন।
মুচাপুর ক্লোজার এলাকায় চরের মধ্যে দক্ষিন মুচাপুর মৌজায় ৮শ ২১ দশমিক ৫৭ একর, চর বালুয়া দিয়ারা মৌজায় ১ হাজার ৮শ ৬১ দশমিক ১০ একর এবং চর বালুয়া মৌজায় ৬শ দশমিক ১৫ একর সর্বমোট ৩ হাজার ২শ ৮২ দশমিক ৮২ একর বনবিভাগের জমি জুড়ে মনরম পরিবেশে বনাঞ্জল রয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল শুক্রবার দর্শনার্থীদের দেখার জন্য ক্লোজারে যান। তিনি জানান, আমি হতবাগ হয়ে গেলাম এখানে মানুষের অবস্থা দেখে খবর পেলাম দৈনিক ১০/১২ হাজার মানুষ আসেন ক্লোজারের নদীর পাড়ে, এসে দেখলাম আজ মানুষের ভিড় আরো বেড়ে গেছে আজ প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার মানুষ এখানে ঘুরতে এসেছে। আমি মন্ত্রী মহোদ্বয়ের সাথে আলাপ করে রেখেছি তাই নিজে দেখার জন্য আসলাম।
তিনি আরো বলেন, এখানে পর্যটন কেন্দ্র ঘোষনা করার জন্য যা যা প্রয়োজন আমি চেষ্টা করবো সবই করার জন্য, কারন নোয়াখালীতে আর কোন পর্যটন কেন্দ্র না থাকায় মানুষ খুব সমস্যার মধ্যে আছেন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ