[bangla_day], [english_date], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]

নছরের রিমান্ড শুনানি রোববার পর্যন্ত স্থগিত

প্রকাশঃ June 9, 2016 | সম্পাদনাঃ 9th June 2016

2016_06_09_15_23_52_6p9lE1nUPGDmCnAtBkri5nRw8t1HyG_800xauto

                                              আদালতে তোলা হচ্ছে আবু নছর গুন্নুকে

 

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে প্রকাশ্য দিবালোকে ছুরিকাঘাত ও গুলি করে পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সাবেক ‘শিবির কর্মী’ আবু নছর গুন্নু’র (৪০) ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি স্থগিত করেছে চট্টগ্রামের একটি আদালত। একই সঙ্গে নছরকে কোন তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগামী রোববারের মধ্যে জমা দিতে আদেশ দিয়েছে আদালত। ওই দিনই রিমান্ডের পুর্নশুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

হস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আবদুল কাদেরের আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক কাজী রাকিব উদ্দিন আবু নছর গুন্নুর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ঈছা চৌধুরী।

তিনি জানান, আদালত আইওর কাছে জানতে চেয়েছে আসামিকে কোন তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই সময়ে আইও বলেছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে অবস্থান করার কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একথা আসামি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও স্বীকার করেছেন।

তবে আদালত জানতে চেয়েছেন, আসামির ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের প্রমাণ আদালতে জমা দেয়া হয়নি কেন? পুলিশের পক্ষ থেকে আগামী রোববার মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের যাবতীয় তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হলে এ বিষয়ে আদালত সিদ্ধান্ত দেবেন।

এর আগে রোববার রাতে মাহমুদা খানম মিতুর স্বামী বাবুল আক্তার নিজেই বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা একটি করেন। মামলাটি সোমবার নথিভুক্ত হয়। যেটি ওই দিন থেকেই তদন্ত করছে ডিবি। পাশাপাশি সিআইডি, পিবিআই, র‌্যাব ও কাউন্টার টেরিরিজম ইউনিটও রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে।

বুধবার (৮ জুন) সকালে হাটহাজারী উপজেলার ফরহাদাবাদ থেকে আবু নছরকে গ্রেপ্তার করা হয়। আবু নছরের বাড়ি হাটহাজারী উপজেলার পশ্চিম ফরহাদাবাদ গ্রামে। তিনি স্থানীয় মৃত মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। তিনি একসময় ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল।

সাবেক এই শিবির ক্যাডার দীর্ঘদিন মধ্যপ্রাচ্যে থাকলেও ৫ বছর আগে তিনি দেশে ফেরেন। ফিরেই হাটহাজারী উপজেলার পশ্চিম ফরহাদাবাদের একটি মাজারে খাদেম হিসেবে যোগ দেন তিনি। মিতু হত্যায় আবু নছরের সম্পৃক্ততা আছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল, এমন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে আবু নাছেরকে মাজারকেন্দ্রিক বিরোধে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাজারের আধিপত্য নিয়ে আধ্যাত্মিক সাধক মূসাবিয়ার দুই মেয়ের মধ্যে বিরোধের জেরে এক মেয়ের অনুসারী গুন্নুকে স্পর্শকাতর এ মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ