[bangla_day], [english_date], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]

চীনের অনুদানে আরও ৩টি মৈত্রী সেতু

প্রকাশঃ June 19, 2016 | সম্পাদনাঃ 19th June 2016
Feature Imageঢাকা : চীন সরকারের অনুদানে দেশের পটুয়াখালী, বাগেরহাট ও খুলনায় আরও তিনটি মৈত্রী সেতু নির্মিত হতে যাচ্ছে।

এ জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়নে রবিবার (১৯ জুন) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে মিনিটস অব মিটিং (এমওএম) সই হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উপস্থিতিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এমএএন ছিদ্দিক এবং বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর লি গুয়াংজুন এতে সই করেন।

এমওএম সই শেষে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিশেষ করে সড়ক-সেতু নির্মাণে চীনের অংশগ্রহণ দীর্ঘদিনের। ইতোমধ্যে চীনের অর্থায়নে সাতটি মৈত্রী সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু বা বেকুটিয়া সেতু নির্মাণের বিস্তারিত নকশা প্রণয়নে গত সপ্তাহে চুক্তি সই হয়েছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সই করা এমওএম অনুযায়ী পটুয়াখালী জেলার দুমকি ও বাউফল উপজেলার লোহালিয়া নদীর ওপর বগা সেতু বা নবম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু, বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলাধীন মংলা নদীর ওপর মংলা সেতু বা দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু এবং খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার ঝপঝপিয়া নদীর ওপর ঝপঝপিয়া সেতু বা একাদশ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ করা হবে।’

সংযোগ সড়কসহ বগা সেতুর দৈর্ঘ্য এক হাজার ২০ মিটার (মূল সেতু ৩৫৬ মিটার), মংলা সেতুর দৈর্ঘ্য এক হাজার ৫০ মিটার (মূল সেতু ৩৭২ মিটার), ঝপঝপিয়া সেতুর দৈর্ঘ্য এক হাজার ৪০ মিটার (মূল সেতু ৪৩৪ মিটার) বলে জানান সেতুমন্ত্রী।

২০১৬ সালে সেতু তিনটির কাজ শুরু হয়ে ২০২০ সালে শেষ হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সেতু তিনটি চীন সরকারের অর্থে নির্মিত হবে। এটি কোন ঋণ নয়। শুভেচ্ছার নিদর্শন স্বরূপ সরাসরি অনুদান। সেতু নির্মাণে জমি অধিগ্রহণ ছাড়া বংলাদেশ সরকারের কোন অর্থ খরচ হবে না।’

এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক উপস্থিত ছিলেন। কারণ বগা সেতুটি সচিবের গ্রামের বাড়ির এলাকায় পড়েছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ