[bangla_day], [english_date], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]

আমাদের ডানে-বামে চার পাশে গুপ্তহত্যাকারীরা অবস্থান করছে।

প্রকাশঃ June 18, 2016 | সম্পাদনাঃ 18th June 2016

ঢাকা: খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, গুপ্ত হত্যাকারীরা আমাদের চার পাশে আছে। আমাদের ডানে-বামে চার পাশে গুপ্তহত্যাকারীরা অবস্থান করছে। তাদের এখন চেনা যায় না। তাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর ১৪ দল আয়োজিত এক যৌথ সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ১৯ জুন জঙ্গীবাদ ও গুপ্ত হত্যার প্রতিবাদে ১৪ দলের মানববন্ধন সফল করার লক্ষ্যে এ যৌথ সভা হয়।

জঙ্গীবাদের অর্থ যোগানদাতা ও মদদ দাতাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে জানিয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক এই নেতা বলেন, “দেশের এই গুপ্তহত্যা ও জঙ্গীবাদের মূল হোতা বিএনপি-জামায়াত। যারাই জঙ্গী হিসেবে এই পর্যন্ত ধরা পড়ছে সবাই এক সময় ছাত্র শিবির বা ছাত্র দলের নেতা কর্মী ছিলেন।”

“গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পরিষ্কার রিপোর্ট আছে, কারা এর অর্থ যোগান দিচ্ছেন আর কারা এর পরামর্শ দাতা। অপেক্ষা করেন অচিরেই তাদের পরিচয় প্রকাশ পাবে।”

কামরুল ইসলাম বলেন, “এখন আর রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সময় নেই, আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। এখন সময় প্রতিরোধ গড়ে তোলার। ”

বাংলাদেশকে অকার্যকর এবং এখানে সংখ্যালঘুরা অনিরাপদ তা প্রমাণ করার জন্যই এমন হত্যাকাণ্ড ঘটানো হচ্ছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে পুরোহিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইতোমধ্যে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। বিএনপি-জামায়াত এটিই চাইছে। বাংলাদেশ সম্পর্কে বিদেশিরা নেতিবাচক ধারণা পোষণ করুক এবং এর মধ্য দিয়ে বিশেষ ফায়দা লুটতে চায়। তিন মাসের আগুন সন্ত্রাস করে বিএনপি-জামায়াত ব্যর্থ হয়ে এখন গ্রামে গিয়ে নিরীহ মানুষদের হত্যা করছে।

বেসরকারী কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা জঙ্গীবাদে জড়িয়ে পড়ছে দাবি করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “মাদারীপুরের শিক্ষক হত্যা চেষ্টায় যে তরুণ ধরা পড়েছে, সে বেসরকারী কলেজের একজন মেধাবী ছাত্র। তাকে ব্রেইন ওয়াশ করে জঙ্গী বনানো হয়েছে। তাই আমি বলতে চাই, এখন শুধু মাদ্রাসা ছাত্র নয়, বিভিন্ন ইংরেজি মাধ্যম ও বেসরকারী কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাও জঙ্গীবাদে জড়িয়ে গুপ্ত হত্যা করছে। এদিকেও আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে।”

“১৯ জুনের মানববন্ধন কোন রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়। এটা সামাজিক আন্দোলন। এর মাধ্যমে জনগণকে আমরা সচেতন করতে চাই। জনগণের মাঝে সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে যেন প্রতিশোধের আগুন জ্বলে ওঠে।”

ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মণি, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, দক্ষিণ আওয়ামী লীগ নেতা হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরো  সদস্য হাজেরা সুলতানা প্রমুখ।

এই বিভাগের আরো সংবাদ